গোক্ষুর পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য টেস্টোস্টেরন ও মূত্রস্বাস্থ্যে উপকারিতা

Gokkhur Kata

গোক্ষুর (Tribulus terrestris) পুরুষ ও নারীর যৌন স্বাস্থ্য, টেস্টোস্টেরন হরমোন এবং মূত্রতন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত করার একটি ইউনানী ও আয়ুর্বেদ ভেষজ। এই আর্টিকেল গোক্ষুরের সংজ্ঞা, সক্রিয় উপাদান, কার্যপদ্ধতি, প্রমাণভিত্তিক উপকারিতা, ব্যবহারবিধি, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করে।

গোক্ষুর কী?

গোক্ষুর একটি Zygophyllaceae পরিবারভুক্ত কাঁটাযুক্ত বর্ষজীবী উদ্ভিদ, যার বৈজ্ঞানিক নাম Tribulus terrestris এর ফল, বীজ ও মূল ইউনানী ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি শুষ্ক ও বালুময় মাটিতে জন্মায় এবং এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইউরোপে বিস্তৃতভাবে পাওয়া যায়।

বাংলায় গোক্ষুরকে গোখরু নামেও ডাকা হয়। সংস্কৃতে একে গোক্ষুরক এবং আরবি ইউনানী গ্রন্থে একে হাসাক-উল-আরুস নামে উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্ভিদটির ফল কাঁটাযুক্ত এবং শুকনো অবস্থায় চূর্ণ, ক্বাথ ও নির্যাস আকারে ব্যবহার করা হয়।

ইউনানী চিকিৎসাশাস্ত্রে গোক্ষুরকে মুদাররে বওল (প্রস্রাব-বর্ধক) এবং মুকাব্বিয়ে বাহ (যৌনশক্তি বর্ধক) শ্রেণির ভেষজ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এই দুই গুণের কারণে গোক্ষুর যৌন স্বাস্থ্য এবং মূত্রতন্ত্র উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

গোক্ষুরে কোন কোন সক্রিয় উপাদান থাকে?

গোক্ষুরে ৪টি প্রধান সক্রিয় উপাদান থাকে, যেমন: স্টেরয়ডাল স্যাপোনিন, ফ্ল্যাভোনয়েড, অ্যালকালয়েড এবং ট্যানিন

  • প্রোটোডায়োসসিনগোক্ষুরের প্রধান স্টেরয়ডাল স্যাপোনিন, যা দেহে DHEA হরমোনে রূপান্তরিত হয়।
  • ডায়োসজেনিনএকটি স্টেরয়েড স্যাপোনিন যা হরমোন সংশ্লেষণে অংশ নেয়।
  • কেমফেরল ও কোয়ারসেটিনপ্রদাহবিরোধী ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড।
  • হারমান ও হারমিনঅ্যালকালয়েড উপাদান যা স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব রাখে।

Journal of Ethnopharmacology-এ প্রকাশিত পর্যালোচনা অনুযায়ী স্যাপোনিন ও ফ্ল্যাভোনয়েড গোক্ষুরের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি, অ্যাফ্রোডিজিয়াক, অ্যান্টি-ইউরোলিথিক এবং কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ কার্যকারিতার মূল উৎস।[১]

গোক্ষুর মানবদেহে কীভাবে কাজ করে?

গোক্ষুরের প্রোটোডায়োসসিন যকৃতে DHEA (ডিহাইড্রোএপিঅ্যান্ড্রোস্টেরন)-তে রূপান্তরিত হয় এবং এই DHEA দেহে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের পূর্ববর্তী ধাপ হিসেবে কাজ করে

এই প্রক্রিয়ায় গোক্ষুর পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে লুটিনাইজিং হরমোন (LH) নিঃসরণ বৃদ্ধি করে। LH অণ্ডকোষের লেডিগ কোষকে উদ্দীপিত করে এবং টেস্টোস্টেরন সংশ্লেষণ ত্বরান্বিত করে। একই সঙ্গে গোক্ষুরের স্যাপোনিন উপাদান রক্তনালীর প্রাচীরে নাইট্রিক অক্সাইড নিঃসরণ বাড়ায়, যা লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।

মূত্রতন্ত্রে গোক্ষুরের পটাশিয়াম ও নাইট্রেট উপাদান গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট বৃদ্ধি করে এবং প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়। ২০২৪ সালে Ancient Science of Life জার্নালে প্রকাশিত পর্যালোচনা এই মূত্রবর্ধক কার্যকারিতাকে ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করেছে।[৫]

গোক্ষুর টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে কী ভূমিকা রাখে?

গোক্ষুর প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের সিরাম টেস্টোস্টেরন এবং ইরেক্টাইল ফাংশন স্কোর বৃদ্ধি করে, বিশেষত আংশিক অ্যান্ড্রোজেন ঘাটতিতে ভুগা পুরুষদের ক্ষেত্রে

একটি পাইলট গবেষণায় প্রতিদিন ৭৫০ মিলিগ্রাম গোক্ষুর নির্যাস ৩ ভাগে বিভক্ত করে ৩ মাস সেবনের পর মোট ও মুক্ত টেস্টোস্টেরনের মাত্রায় পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়। একই সঙ্গে IIEF-5 (ইরেক্টাইল ফাংশন) স্কোরও উন্নত হয়, যদিও লুটিনাইজিং হরমোনের মাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।[২]

Nutrients জার্নালে ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি সিস্টেমেটিক রিভিউ ৪৮৩ জন অংশগ্রহণকারীর উপর পরিচালিত ১০টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বিশ্লেষণ করে। এই পর্যালোচনায় প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৭৫০ মিলিগ্রাম গোক্ষুর নির্যাস ১ থেকে ৩ মাস সেবনের ফলে ৫টি ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সংক্রান্ত গবেষণার মধ্যে ৩টিতে উন্নতি নিশ্চিত হয়। গবেষকরা উল্লেখ করেন, বেসলাইনে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে হরমোনের উন্নতি বেশি স্পষ্ট হয়।[৩]

গোক্ষুর যৌন সমস্যায় কী উপকার দেয়?

গোক্ষুর ৩টি প্রধান যৌন সমস্যায় উপকার দেয়, যেমন: ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, কামশক্তি হ্রাস এবং নারীর যৌন উত্তেজনাজনিত ব্যাধি

পুরুষদের যৌন সমস্যায় গোক্ষুরের উপকারিতা কী?

গোক্ষুর পুরুষদের লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা কমায় এবং কামশক্তি বৃদ্ধি করে এর প্রোটোডায়োসসিন উপাদান নাইট্রিক অক্সাইড সিন্থেজ সক্রিয় করে, যা করপাস ক্যাভারনোসামে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়।

ইউনানী চিকিৎসায় গোক্ষুরকে শুক্রাণুবর্ধক (স্পার্মাটোজেনিক) ভেষজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি অশ্বগন্ধা ও শিলাজিতের সঙ্গে মিশ্রিত করলে শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা উন্নত করার জন্য প্রয়োগ করা হয়।

নারীদের যৌন সমস্যায় গোক্ষুরের উপকারিতা কী?

গোক্ষুর নারীর হাইপোঅ্যাক্টিভ সেক্সুয়াল ডিজায়ার ডিসঅর্ডার (HSDD)-এ কামেচ্ছা, উত্তেজনা ও তৃপ্তি উন্নত করে

একটি র‌্যান্ডমাইজড, ডাবল-ব্লাইন্ড, প্লাসিবো-নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় ৬৭ জন প্রজননক্ষম বয়সের নারীকে প্রতিদিন ৭.৫ মিলিগ্রাম গোক্ষুর নির্যাস অথবা প্লাসিবো দেওয়া হয়। ৪ সপ্তাহ পর Female Sexual Function Index (FSFI)-এর মাধ্যমে মূল্যায়নে গোক্ষুর গ্রহণকারী দলে কামেচ্ছা, উত্তেজনা, লুব্রিকেশন ও তৃপ্তির স্কোর প্লাসিবো দলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়।[৪]

গোক্ষুর প্রস্রাবজনিত সমস্যায় কী উপকার দেয়?

গোক্ষুর ৩টি প্রধান প্রস্রাবজনিত সমস্যায় উপকার দেয়, যেমন: কিডনিতে পাথর, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া এবং কম প্রস্রাব নির্গমন

কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে গোক্ষুরের ভূমিকা কী?

গোক্ষুর ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্ফটিক গঠন বাধা দেয় এবং বৃক্কের নালিকা কোষের ক্ষয় কমায়

গবেষণাগারে পরিচালিত এক গবেষণায় গোক্ষুরের জলীয় নির্যাস অক্সালেট-প্ররোচিত রেনাল টিউবুলার এপিথেলিয়াল কোষের ক্ষতি কমায় এবং ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্ফটিকের নিউক্লিয়েশন ও বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে। গবেষকরা এই কার্যকারিতাকে ইউরোলিথিয়াসিস প্রতিরোধে প্রোফাইল্যাক্টিক প্রয়োগের সম্ভাবনা হিসেবে চিহ্নিত করেন।[৬]

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে কিডনির পাথরকে মূত্রাশ্মরী নামে অভিহিত করা হয়। গোক্ষুরকে পুনর্নবা ও বরুণের সঙ্গে মিশ্রিত করে মূত্রাশ্মরী চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হয়, কারণ এই সংমিশ্রণ কিডনির শক্তি বৃদ্ধি করে এবং প্রস্রাব প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে।

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ও কম প্রস্রাবে গোক্ষুর কীভাবে কাজ করে?

গোক্ষুর প্রস্রাবের পরিমাণ, সোডিয়াম ও পটাশিয়াম নিঃসরণ বৃদ্ধি করে মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে

একটি তুলনামূলক গবেষণায় গোক্ষুর নির্যাস এককভাবে প্রস্রাবের পরিমাণ, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে। গবেষকরা উপসংহারে জানান, গোক্ষুরের এই মূত্রবর্ধক ও সংকোচনশীল কার্যকারিতা মূত্রতন্ত্রে পাথর অপসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।[৬] ইউনানী হেকিমগণ প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ায় গোক্ষুর ক্বাথ ঠান্ডা করে সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

গোক্ষুর কীভাবে সেবন করতে হয়?

গোক্ষুর ৩টি প্রচলিত রূপে সেবন করা হয়, যেমন: চূর্ণ, ক্বাথ এবং নির্যাস ক্যাপসুল

  • চূর্ণশুকনো গোক্ষুর ফল গুঁড়া করে দুধ বা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করা হয়।
  • ক্বাথগোক্ষুর ফল পানিতে সিদ্ধ করে ক্বাথ তৈরি করা হয় এবং প্রস্রাবজনিত সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।
  • নির্যাস ক্যাপসুলস্ট্যান্ডার্ডাইজড স্যাপোনিন সমৃদ্ধ নির্যাস ক্যাপসুল আকারে বাজারে পাওয়া যায়।

প্রতিটি সেবনবিধির মাত্রা ব্যক্তির বয়স, শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরনের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। হাকিম বা যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করা ঠিক নয়।

গোক্ষুরের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?

গোক্ষুর সেবনে ৪টি সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যেমন: পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব, ঘুমের সমস্যা এবং রক্তচাপে পরিবর্তন

অতিরিক্ত মাত্রায় গোক্ষুর সেবন পাকস্থলীর আস্তরণে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় সেবন রক্তচাপ হ্রাস করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা পরিবর্তন করে। নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় এবং সীমিত সময়ে সেবন এই ঝুঁকি কমায়।

গোক্ষুর সেবনে কী কী সতর্কতা মানতে হয়?

গোক্ষুর সেবনের আগে ৪টি শর্ত যাচাই করতে হয়, যেমন: গর্ভাবস্থা, প্রোস্টেট ক্যান্সার, রক্তচাপের ওষুধ সেবন এবং ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন

  • গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীরা গোক্ষুর সেবন এড়িয়ে চলেন, কারণ এর হরমোনাল প্রভাবের নিরাপত্তা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য নেই।
  • প্রোস্টেট ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা টেস্টোস্টেরন-বর্ধক প্রভাবের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গোক্ষুর সেবন করেন না।
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ গ্রহণকারীরা গোক্ষুরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার ঝুঁকি বিবেচনায় হেকিমের পরামর্শ নেন।
  • ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্রহণকারীরা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন।

গোক্ষুরের সাথে কোন কোন ভেষজ একত্রে ব্যবহৃত হয়?

গোক্ষুর ৩টি ভেষজের সঙ্গে একত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন: অশ্বগন্ধা, শিলাজিৎ এবং শতাবরী

অশ্বগন্ধা কর্টিসল হ্রাস করে ও টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা গোক্ষুরের হরমোনাল কার্যকারিতাকে সম্পূরক করে। শিলাজিৎ ফুলভিক অ্যাসিডের মাধ্যমে কোষীয় শক্তি উৎপাদন বাড়ায়। শতাবরী নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ও হরমোন ভারসাম্যে ব্যবহৃত হয় এবং গোক্ষুরের সঙ্গে নারীর যৌন সমস্যায় একত্রে প্রয়োগ করা হয়।

এই তিনটি ভেষজের বিস্তারিত ব্যবহারবিধি ও উপকারিতা হাকিমসুলতান.কম-এর ভেষজ হাব পেজে অশ্বগন্ধা, শিলাজিৎ ও শতাবরী সংক্রান্ত নিবন্ধে পাওয়া যায়।

উপসংহার

গোক্ষুর প্রোটোডায়োসসিন ও স্টেরয়ডাল স্যাপোনিনের মাধ্যমে টেস্টোস্টেরন, ইরেক্টাইল ফাংশন এবং মূত্রতন্ত্রের কার্যক্ষমতা একযোগে উন্নত করে। ক্লিনিক্যাল গবেষণা পুরুষ ও নারী উভয়ের যৌন স্বাস্থ্যে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করেছে, আর ঐতিহ্যবাহী ইউনানী চিকিৎসা মূত্রতন্ত্রের সুরক্ষায় এর ব্যবহার শতাব্দীব্যাপী প্রমাণ করেছে। সঠিক মাত্রা ও যোগ্য হাকিমের তত্ত্বাবধানে গোক্ষুর সেবন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য হাকিম সুলতান মাহমুদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন অথবা সালিহাত ফুড-এর প্রমাণিত গোক্ষুর ভিত্তিক ভেষজ পণ্য দেখুন।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স (References)

১. Verma A. et al. — Promising phytopharmacology, nutritional potential, health benefits, and traditional usage of Tribulus terrestris L. herb. PubMed (2024). https://pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/38375303/

২. Gilani A.H. et al. — Pilot Study on the Effect of Botanical Medicine (Tribulus terrestris) on Serum Testosterone Level and Erectile Function in Aging Males with PADAM. PubMed. https://pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/25849625/

৩. Vilar Neto J.O. et al. — Effects of Tribulus (Tribulus terrestris L.) Supplementation on Erectile Dysfunction and Testosterone Levels in Men: A Systematic Review. Nutrients (2025). https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC11990417/

৪. Akhtari E. et al. — Tribulus terrestris for treatment of sexual dysfunction in women: randomized double-blind placebo-controlled study. PMC. https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC4045980/

৫. A Review on the Ayurvedic Herb Tribulus terrestris L. Ancient Science of Life (2024). https://www.wisdomlib.org/science/journal/ancient-science-of-life/d/doc1414673.html

৬. Al-Ali M. et al. — Tribulus terrestris: preliminary study of its diuretic and contractile effects and comparison with Zea mays. ScienceDirect (2003). https://www.sciencedirect.com/science/article/abs/pii/S037887410300014X

হেকিম সুলতান
লেখক সম্পর্কে

হেকিম সুলতান

BUMS, খুলনা ইউনানি মেডিকেল কলেজ