শতাবরী: বৈজ্ঞানিক পরিচয়, ইউনানি মিজাজ, উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি

শতাবরী: উপকারিতা, সেবনবিধি ও ইউনানি মিজাজ

শতাবরী একটি প্রাচীন ঔষধি মূল। এর বৈজ্ঞানিক নাম Asparagus racemosus। ইউনানি চিকিৎসায় এটি “সাতাওয়ার” নামে পরিচিত। আয়ুর্বেদ, সিদ্ধা ও ইউনানি — তিনটি চিকিৎসা পদ্ধতিতেই শতাবরীর কন্দমূল নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়। হেকিম সুলতান এই গাইডে শতাবরীর বৈজ্ঞানিক পরিচয়, রাসায়নিক উপাদান, ইউনানি আখলাত ও মিজাজ, ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য উপকারিতা, ব্যবহারবিধি এবং সতর্কতা ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করেন।

শতাবরী কী?

শতাবরী (Asparagus racemosus) হলো Asparagaceae পরিবারের একটি বহুবর্ষজীবী কন্টকযুক্ত ভেষজ লতা। এর গুচ্ছাকার কন্দমূল ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও সিদ্ধা — তিনটি চিকিৎসা পদ্ধতিতেই শতাবরী নারী-পুরুষ প্রজনন স্বাস্থ্যের প্রধান রসায়ন (টনিক) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Asparagus racemosus উদ্ভিদ ভারতীয় উপমহাদেশের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপগ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মায়। এর কাণ্ড আরোহী প্রকৃতির এবং ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর পাতা সূচালো ও নরম। এর ফুল সাদা রঙের ও সুগন্ধযুক্ত। এর মূল রসালো, নলাকার এবং ১ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়।

বাংলায় শতমূলী, হিন্দিতে সাতাওয়ার এবং ইংরেজিতে Wild Asparagus নামে পরিচিত এই উদ্ভিদটি। ইউনানি শাস্ত্রে একে “সাতাওয়ার” বা “সাতমূলী” বলা হয় এবং একে জরায়ু টনিক, দুগ্ধবর্ধক, ঋতুস্রাব নিয়ন্ত্রক ও কামোদ্দীপক দ্রব্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

শতাবরীর রাসায়নিক উপাদান কী কী?

শতাবরীর মূলে ৪টি প্রধান স্টেরয়েডাল স্যাপোনিন থাকে, যেমন: শতাভারিন-১, শতাভারিন-২, শতাভারিন-৩ ও শতাভারিন-৪। এছাড়া সারসাপোজেনিন, ডায়োসজেনিন, রেসিমোসল অ্যালকালয়েড এবং ফ্ল্যাভোনয়েড শতাবরীর কার্যকারিতার মূল ভিত্তি তৈরি করে।
  •     শতাভারিন-১, ২, ৩ ও ৪ — এই ৪টি স্টেরয়েডাল স্যাপোনিন শতাবরীর মূল সক্রিয় উপাদান। এগুলো ইস্ট্রোজেন-সদৃশ ক্রিয়া প্রদর্শন করে এবং নারী প্রজনন হরমোন ভারসাম্য রক্ষা করে।
  •     সারসাপোজেনিন — এই যৌগ যৌন হরমোনের পূর্বসূরি (precursor) হিসেবে কাজ করে এবং শতাবরীর কামোদ্দীপক ক্রিয়ায় সহায়তা করে।
  •     ডায়োসজেনিন — এই স্টেরয়েডাল গ্লাইকোসাইড প্রদাহনাশক ক্রিয়া প্রদর্শন করে, বিশেষ করে প্রজনন ও পরিপাকতন্ত্রে।
  •     রেসিমোসল — এই অ্যালকালয়েড শতাবরীর জীবাণুনাশক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।
  •     ফ্ল্যাভোনয়েড ও পলিফেনল — এই যৌগগুলো কোষের অক্সিডেটিভ ক্ষয় প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

এছাড়া শতাবরীর মূলে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও ভিটামিন কে পাওয়া যায়। এর সাথে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন — এই ৪টি খনিজ উপাদানও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে।

শতাবরীর ইউনানি আখলাত ও মিজাজ কী?

ইউনানি চিকিৎসায় শতাবরীর মিজাজ ঠাণ্ডা ও তর (cold-moist) শ্রেণিতে বর্ণিত হয়। এই মিজাজের কারণে শতাবরী বলগমি ও সাফরাভি প্রকৃতির আখলাতি ভারসাম্যহীনতায় ব্যবহৃত হয় এবং জরায়ু ও যকৃতের কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

ইউনানি চিকিৎসায় রোগের কারণ ব্যাখ্যা করা হয় আখলাত (চার প্রকার শারীরিক রস) ও মিজাজ (দৈহিক প্রকৃতি) দিয়ে। এই ৪টি আখলাত হলো: দম (রক্ত), বলগম (কফ), সাফরা (পিত্ত) ও সওদা (কৃষ্ণ পিত্ত)। শতাবরীর ঠাণ্ডা-তর মিজাজ অতিরিক্ত সাফরাভি (উষ্ণ-শুষ্ক) প্রকৃতির ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করে।

পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS)-এর ইউনানি ব্যাখ্যায় সু-ই-মিজাজ (বিকৃত মিজাজ) ও বলগমি প্রাধান্যকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শতাবরী এই বলগমি ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করে যকৃত ও প্রজনন কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে। ইউনানি ক্লাসিক্যাল গ্রন্থে শতাবরীকে মুকাব্বি-এ-রেহেম (জরায়ু টনিক), মুদার-এ-হায়েজ (ঋতুস্রাব নিয়ন্ত্রক), মুদার-এ-লাবান (দুগ্ধবর্ধক) ও মুকাব্বি-এ-বাহ (কামোদ্দীপক) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

শতাবরী ছেলেদের জন্য কী কী উপকার করে?

শতাবরী ছেলেদের জন্য ৬টি প্রধান উপকার করে, যেমন: যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি, শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নয়ন, হজমশক্তি বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রদাহ হ্রাস ও শারীরিক সহনশক্তি বৃদ্ধি।
  •     যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করেশতাবরীর সারসাপোজেনিন যৌন হরমোনের পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করে এবং কামোদ্দীপক ক্রিয়া প্রদর্শন করে।
  •     শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত করে — শতাবরীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শুক্রাণু কোষের অক্সিডেটিভ ক্ষয় কমায়।
  •     হজমশক্তি বৃদ্ধি করে — শতাবরীর অ্যান্টাসিড ক্রিয়া পাকস্থলীর অতিরিক্ত অম্লতা প্রশমিত করে।
  •     রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে — শতাবরীর ইমিউনোমডুলেটর উপাদান শ্বেত রক্তকণিকার কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
  •     প্রদাহ হ্রাস করে — শতাবরীর ডায়োসজেনিন উপাদান প্রদাহজনিত ব্যথা কমায়, যেমন: সন্ধিব্যথা ও পেশির প্রদাহ।
  •     শারীরিক সহনশক্তি বৃদ্ধি করে — শতাবরী একটি অ্যাডাপ্টোজেন হিসেবে কাজ করে এবং দৈহিক ক্লান্তি কমিয়ে সহনশক্তি বাড়ায়।

শতাবরী মেয়েদের জন্য কী কী উপকার করে?

শতাবরী মেয়েদের জন্য ৭টি প্রধান উপকার করে, যেমন: জরায়ু টনিক হিসেবে কাজ করা, দুগ্ধবৃদ্ধি, ঋতুস্রাব নিয়ন্ত্রণ, শ্বেতস্রাব উপশম, PCOS ব্যবস্থাপনায় সহায়তা, মেনোপজ উপসর্গ হ্রাস ও গর্ভধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি।
  •     জরায়ু টনিক হিসেবে কাজ করে — শতাবরী জরায়ুর পেশিতে পুষ্টি ও শক্তি জোগায়, ফলে জরায়ুর কার্যক্ষমতা উন্নত হয়।
  •     স্তন্যদানকারী মায়ের দুধ বৃদ্ধি করে — শতাবরীর গ্যালাক্টাগগ ক্রিয়া প্রোল্যাক্টিন হরমোন উদ্দীপিত করে দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
  •     ঋতুস্রাব নিয়ন্ত্রণ করে — শতাবরী অনিয়মিত ঋতুস্রাব ও ঋতুস্রাবজনিত ব্যথা (dysmenorrhea) কমাতে সহায়তা করে।
  •     শ্বেতস্রাব (লিউকোরিয়া) উপশম করে — শতাবরীর প্রদাহনাশক ক্রিয়া যোনিপথের প্রদাহ কমিয়ে শ্বেতস্রাবের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
  •     PCOS ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে — ইউনানি গবেষণা অনুযায়ী শতাবরী হরমোন ভারসাম্য রক্ষা করে ডিম্বাশয়ের কার্যক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে।
  •     মেনোপজ উপসর্গ হ্রাস করে — শতাবরীর ইস্ট্রোজেন-সদৃশ ক্রিয়া মেনোপজকালীন গরম ভাব ও মেজাজ পরিবর্তনের তীব্রতা কমায়।
  •     গর্ভধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে — শতাবরী জরায়ুর আস্তরণ পুষ্ট করে এবং ডিম্বস্ফোটন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে।

শতাবরী কীভাবে খাবেন?

শতাবরী সাধারণত গুঁড়া, ক্যাপসুল বা সিরাপ আকারে সেবন করা হয়। ইউনানি চিকিৎসায় শতাবরী চূর্ণ দুধ বা মধুর সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার সেবনের প্রথাগত নিয়ম প্রচলিত। প্রতিটি ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণে হেকিমের পরামর্শ আবশ্যক।
  •     ধাপ ১ — গুঁড়া নির্বাচন করুন: বিশুদ্ধ ও পরীক্ষিত শতাবরী চূর্ণ ব্যবহার করুন।
  •     ধাপ ২ — দুধ বা মধুর সাথে মিশ্রণ করুন: চূর্ণকে হালকা গরম দুধ বা মধুর সাথে মিশিয়ে নিন।
  •     ধাপ ৩ — নির্দিষ্ট সময়ে সেবন করুন: সকালে নাস্তার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে সেবন করুন।
  •     ধাপ ৪ — নিয়মিত সেবন বজায় রাখুন: টানা ৪৫ দিন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত নিয়মিত সেবনে সর্বোত্তম ফলাফল পাওয়া যায়।

গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং শিশুদের ক্ষেত্রে শতাবরী সেবনের পূর্বে হেকিম সুলতান বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ আবশ্যক।

শতাবরীর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?

শতাবরী সেবনে ৩টি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যেমন: ত্বকীয় অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রীয় অ্যালার্জি এবং অতিরিক্ত সেবনে পেট ফাঁপা। এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত অতিরিক্ত মাত্রা বা নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহারে ঘটে।
  •     ত্বকীয় অ্যালার্জি সৃষ্টি করে — সংবেদনশীল ত্বকের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চুলকানি বা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে।
  •     শ্বাসতন্ত্রীয় অ্যালার্জি সৃষ্টি করে — অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
  •     পেট ফাঁপা সৃষ্টি করে — নির্ধারিত মাত্রার বেশি সেবনে হজমে সাময়িক অস্বস্তি হতে পারে।

শতাবরী সেবনে কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?

কিডনি সমস্যাজনিত পানি জমা (edema), হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা দুর্বলতা এবং নির্ধারিত ওষুধ সেবনরত ব্যক্তিদের শতাবরী সেবনের পূর্বে হেকিম বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। নিম্নমানের বা ভেজাল উপাদান পরিহার করা জরুরি।
  •     কিডনি সমস্যায় সতর্কতা প্রয়োজন — কিডনি জনিত edema-তে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শতাবরী সেবন এড়িয়ে চলা উচিত।
  •     হৃদযন্ত্রের দুর্বলতায় সতর্কতা প্রয়োজন — হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হেকিমের তত্ত্বাবধানে সেবন করতে হবে।
  •     ওষুধ মিথস্ক্রিয়ায় সতর্কতা প্রয়োজন — হরমোনজনিত ওষুধ সেবনরত ব্যক্তিদের শতাবরী সেবনের পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
  •     মান যাচাই করা আবশ্যক — সালিহাত ফুডের মতো প্রত্যয়িত ও হালাল সনদপ্রাপ্ত উৎস থেকে শতাবরী সংগ্রহ করা নিরাপদ।

শতাবরী সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

শতাবরী প্রতিদিন খাওয়া যায় কি?

হেকিমের নির্ধারিত মাত্রা মেনে শতাবরী প্রতিদিন সেবন করা যায়। টানা ৯০ দিনের বেশি সেবনের পূর্বে চিকিৎসকের পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন।

শতাবরী ও অশ্বগন্ধা একসাথে খাওয়া যায় কি?

শতাবরী ও অশ্বগন্ধা একসাথে সেবন করা যায়। এই দুটি ভেষজ একত্রে প্রজনন স্বাস্থ্য ও শারীরিক শক্তি — উভয় ক্ষেত্রে পরিপূরক কার্যকারিতা প্রদর্শন করে।

শতাবরী গর্ভাবস্থায় নিরাপদ কি?

গর্ভাবস্থায় শতাবরী সেবনের পূর্বে হেকিম বা গাইনোকোলজিস্টের অনুমতি আবশ্যক। নির্ধারিত মাত্রার বাইরে স্ব-চিকিৎসা নিষিদ্ধ।

শতাবরী কতদিনে ফলাফল দেখায়?

নিয়মিত সেবনে ৪৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ফলাফল দেখা যায়। সম্পূর্ণ ফলাফলের জন্য ৯০ দিন পর্যন্ত সেবন প্রয়োজন হতে পারে।

শতাবরী কি পুরুষদের জন্যও কার্যকর?

শতাবরী পুরুষদের জন্যও কার্যকর। এটি যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি, শুক্রাণুর মান উন্নয়ন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

শতাবরী ও শতমূলী কি একই জিনিস?

শতাবরী ও শতমূলী একই উদ্ভিদের বাংলা প্রতিশব্দ। উভয় নামই Asparagus racemosus উদ্ভিদকে নির্দেশ করে।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স (References)

১. Unani Perspective of PCOS with Special Reference to the Potential Benefits of Satāwar (Asparagus racemosus Willd.) for Women’s Reproductive Health — Hamdard Journal of Unani Medicine (২০২৫)।

২. Exploring pharmacological properties and food applications of Asparagus racemosus (Shatavari) — ScienceDirect (২০২৪)।

৩. A Comprehensive Review on: Shatavari (Asparagus racemosus) — International Journal of Novel Research and Development।

৪. Shatavari (Asparagus racemosus): Benefits, Uses, Safety — Herbal Reality।

৫. Shatavari Plant — Uses, Benefits and Effects on Dosha — Planet Ayurveda।

হেকিম সুলতান
লেখক সম্পর্কে

হেকিম সুলতান

BUMS, খুলনা ইউনানি মেডিকেল কলেজ

উপসংহার 

শতাবরী নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য একটি প্রমাণিত ইউনানি ভেষজ। এর ঠাণ্ডা-তর মিজাজ শরীরের বলগমি ও সাফরাভি ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করে। নিয়মিত ও সঠিক মাত্রায় সেবনে শতাবরী জরায়ু স্বাস্থ্য, দুগ্ধবৃদ্ধি, যৌন উত্তেজনা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। তবে ব্যক্তিভেদে মাত্রা ভিন্ন হতে পারে, তাই স্ব-চিকিৎসা এড়িয়ে হেকিম সুলতান মাহমুদের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ পথ। বিশুদ্ধ ও হালাল সনদপ্রাপ্ত শতাবরী পণ্যের জন্য আজই WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন: 01910-485367। হেকিম সুলতান মাহমুদের সরাসরি পরামর্শে আপনার প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান শুরু করুন।