পেরোনি’স ডিজিজ (লিঙ্গ বাঁকা হওয়া): কারণ, লক্ষণ, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

পেরোনি'স ডিজিজ: কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

লিঙ্গ বাঁকা হওয়ার সমস্যা পেরোনি’স ডিজিজ নামে পরিচিত একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা। এই গাইডে এর কারণ, লক্ষণ, রোগ নির্ণয় পদ্ধতি এবং আধুনিক ও ইউনানী চিকিৎসার সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো।

পেরোনি ডিজিজ কী?

পেরোনি ডিজিজ পুরুষাঙ্গের ভেতরের আবরণী টিস্যু টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়াতে তন্তুময় দাগ টিস্যু বা প্লাক তৈরি হওয়ার একটি অবস্থা এই প্লাক লিঙ্গকে উত্থানের সময় বাঁকা করে দেয়, ব্যথা তৈরি করে এবং দৈর্ঘ্য কমিয়ে দেয়

টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়া লিঙ্গের ভেতরের ইরেক্টাইল টিস্যু কর্পাস ক্যাভারনোসাকে ঘিরে রাখা একটি স্থিতিস্থাপক আবরণ। পেরোনি’স ডিজিজে এই আবরণের একটি অংশে কোলাজেন জমা হয়ে শক্ত প্লাক গঠন করে। প্লাকযুক্ত অংশ স্থিতিস্থাপকতা হারায়, ফলে উত্থানের সময় লিঙ্গ প্লাকের দিকে বেঁকে যায়।

আমেরিকান ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ৪০ থেকে ৭০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে পেরোনি’স ডিজিজের প্রকোপ প্রায় ৩ থেকে ৯ শতাংশ। রোগটি দুইটি পর্যায়ে ভাগ হয়: সক্রিয় পর্যায় এবং স্থিতিশীল পর্যায়। সক্রিয় পর্যায়ে প্লাক বাড়তে থাকে এবং ব্যথা থাকে, স্থিতিশীল পর্যায়ে বক্রতা স্থির হয়ে যায় এবং ব্যথা কমে আসে।

পেরোনি ডিজিজের কারণ কী কী?

পেরোনি ডিজিজের ৫টি প্রধান কারণ আছে, যেমন: লিঙ্গে বারবার মাইক্রোট্রমা, অস্বাভাবিক ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া, জেনেটিক প্রবণতা, ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপের মতো রক্তনালীজনিত রোগ এবং বয়সজনিত কোলাজেন পরিবর্তন

লিঙ্গে বারবার মাইক্রো-ট্রমা পেরোনি’স ডিজিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সহবাসের সময় লিঙ্গ হঠাৎ বেঁকে গেলে টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়ার তন্তুতে ক্ষুদ্র ছিঁড়ে যাওয়া তৈরি হয়। এই ক্ষত ঠিকমতো না সারলে অস্বাভাবিক কোলাজেন জমে প্লাক গঠন করে।

অস্বাভাবিক ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া দ্বিতীয় কারণ। সাধারণ ক্ষত সারার সময় শরীর সুষম কোলাজেন তৈরি করে, কিন্তু কিছু পুরুষের শরীরে প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া অতিরিক্ত সক্রিয় হয় এবং এলোমেলো কোলাজেন স্তর জমা হয়।

জেনেটিক প্রবণতা তৃতীয় কারণ হিসেবে কাজ করে। ডুপুয়েট্রেন্স কন্ট্রাকচার নামক হাতের তালুর একটি তন্তুময় রোগে আক্রান্ত পুরুষদের পেরোনি’স ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় বেশি থাকে।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ চতুর্থ কারণ হিসেবে রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা কমিয়ে দেয়। রক্তনালীর ক্ষতি টিস্যু মেরামত প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে এবং প্লাক গঠনের ঝুঁকি বাড়ায়।

বয়সজনিত কোলাজেন পরিবর্তন পঞ্চম কারণ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়ার কোলাজেন গঠন পরিবর্তিত হয় এবং টিস্যু কম স্থিতিস্থাপক হয়ে যায়, যা প্লাক তৈরির সম্ভাবনা বাড়ায়।

পেরোনি ডিজিজের লক্ষণ কী কী?

পেরোনি ডিজিজের ৬টি প্রধান লক্ষণ আছে, যেমন: উত্থানকালে লিঙ্গ বাঁকা হওয়া, লিঙ্গে শক্ত দাগ বা গোটা অনুভব করা, উত্থানের সময় ব্যথা, লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ঘেরে হ্রাস, উত্থান বজায় রাখতে অসুবিধা এবং মানসিক উদ্বেগ

উত্থানকালে লিঙ্গ বাঁকা হওয়া প্রথম ও সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ। বক্রতা উপরে, নিচে অথবা পাশে যেকোনো দিকে হতে পারে এবং প্লাকের অবস্থানের উপর নির্ভর করে।

লিঙ্গে শক্ত দাগ বা গোটা অনুভব করা দ্বিতীয় লক্ষণ। এই গোটা ত্বকের নিচে স্থির থাকে এবং চাপ দিলে শক্ত অনুভূত হয়।

উত্থানের সময় ব্যথা তৃতীয় লক্ষণ, যা সাধারণত রোগের সক্রিয় পর্যায়ে দেখা যায় এবং স্থিতিশীল পর্যায়ে ধীরে ধীরে কমে আসে।

লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও ঘেরে হ্রাস চতুর্থ লক্ষণ। প্লাক টিস্যুকে সংকুচিত করে ফলে উত্থানকালীন লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যায়।

উত্থান বজায় রাখতে অসুবিধা পঞ্চম লক্ষণ। গুরুতর বক্রতা রক্ত প্রবাহে বাধা তৈরি করে এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সৃষ্টি করে।

মানসিক উদ্বেগ ষষ্ঠ লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। বোস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, পেরোনি’স ডিজিজে আক্রান্ত পুরুষদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্বেগ ও বিষণ্নতার লক্ষণ প্রকাশ করেন।

পেরোনি ডিজিজ নির্ণয় কীভাবে করা হয়?

পেরোনি ডিজিজ নির্ণয়ে ৩টি প্রধান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়: শারীরিক পরীক্ষা, উত্থিত অবস্থায় লিঙ্গের ছবি তোলা এবং আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান এই পরীক্ষাগুলো প্লাকের অবস্থান, আকার বক্রতার মাত্রা নির্ধারণ করে

শারীরিক পরীক্ষায় চিকিৎসক লিঙ্গ স্পর্শ করে প্লাকের অবস্থান ও আকার নির্ণয় করেন। এই পরীক্ষা সাধারণত বহির্বিভাগে করা হয় এবং বিশেষ প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না।

উত্থিত অবস্থায় লিঙ্গের ছবি রোগী নিজে বাড়িতে তুলে চিকিৎসককে দেখান অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে কৃত্রিম উত্থান ঘটিয়ে ক্লিনিকে বক্রতার কোণ পরিমাপ করা হয়।

আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান প্লাকের ভেতরে ক্যালসিয়াম জমা আছে কিনা তা শনাক্ত করে এবং রক্তনালীর অবস্থা মূল্যায়ন করে। এই তথ্য চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণে সহায়ক।

পেরোনি ডিজিজের আধুনিক চিকিৎসা কী কী?

পেরোনি ডিজিজের ৫টি প্রধান আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি আছে, যেমন: কোলাজেনেজ ইনজেকশন, ভ্যাকুয়াম ইরেকশন ডিভাইস, পেনাইল ট্র্যাকশন থেরাপি, মৌখিক ওষুধ পরিপূরক এবং গুরুতর ক্ষেত্রে সার্জারি

কোলাজেনেজ ইনজেকশন সরাসরি প্লাকে প্রয়োগ করা হয় এবং অতিরিক্ত কোলাজেন ভেঙে ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রের FDA ২০১৩ সালে এই ইনজেকশন কোলাজেনেজ ক্লসট্রিডিয়াম হিস্টোলাইটিকাম নামে অনুমোদন করে, যা স্থিতিশীল পর্যায়ের মাঝারি থেকে গুরুতর বক্রতায় ব্যবহৃত হয়।

ভ্যাকুয়াম ইরেকশন ডিভাইস লিঙ্গে নিয়মিত টান তৈরি করে টিস্যুর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং বক্রতা হ্রাস করতে সহায়তা করে।

পেনাইল ট্র্যাকশন থেরাপি প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা যান্ত্রিক টান প্রয়োগ করে লিঙ্গের দৈর্ঘ্য সংরক্ষণ করে এবং বক্রতা কমায়। আমেরিকান ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সক্রিয় পর্যায়ে এই থেরাপির সুপারিশ করে।

মৌখিক ওষুধ ও পরিপূরক যেমন পোটাসিয়াম প্যারা-অ্যামাইনোবেনজোয়েট ব্যবহৃত হয়, যদিও এর কার্যকারিতা সীমিত প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত।

গুরুতর ক্ষেত্রে সার্জারি প্রয়োজন হয়, বিশেষত যখন বক্রতা ৩০ ডিগ্রির বেশি হয় এবং সহবাসে বাধা সৃষ্টি করে। প্লিকেশন সার্জারি, গ্রাফটিং সার্জারি এবং পেনাইল ইমপ্ল্যান্ট এই তিন ধরনের সার্জারি প্রচলিত।

ইউনানী চিকিৎসায় পেরোনি ডিজিজের ব্যবস্থাপনা কীভাবে করা হয়?

ইউনানী চিকিৎসায় পেরোনি ডিজিজ ব্যবস্থাপনায় প্রদাহ হ্রাসকারী ভেষজ, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিকারী তেল মালিশ এবং জীবনযাত্রা সমন্বয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সহায়ক পদ্ধতি হিসেবে, নির্ণয়যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প হিসেবে নয়

ইউনানী মতে পেরোনি’স ডিজিজ ‘সুয়ে মিজাজ’ বা টিস্যুর তাপীয় ভারসাম্যহীনতার সাথে সম্পর্কিত ধরা হয়। এই ধারণা অনুযায়ী প্রদাহ হ্রাসকারী ভেষজ যেমন আমলকী ও অশ্বগন্ধা প্রথাগতভাবে সাধারণ প্রদাহ প্রশমনে ব্যবহৃত হয়।

তেল মালিশ রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে ইউনানী চর্চায় ব্যবহৃত হয়। তবে সক্রিয় পর্যায়ে জোরালো মালিশ বা চাপ প্রয়োগ প্লাকের প্রদাহ বাড়াতে পারে, তাই এই পর্যায়ে মালিশ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

জীবনযাত্রা সমন্বয়ের মধ্যে ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং সুষম পুষ্টি অন্তর্ভুক্ত থাকে, কারণ এই বিষয়গুলো টিস্যু মেরামত প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।

পেরোনি ডিজিজে বক্রতা মাঝারি থেকে গুরুতর হলে অথবা ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে ইউরোলজিস্টের মাধ্যমে সঠিক রোগ নির্ণয় চিকিৎসা গ্রহণ আবশ্যক ইউনানী সহায়ক পদ্ধতি আধুনিক চিকিৎসার পরিপূরক হিসেবে বিবেচিত হয়, প্রতিস্থাপক হিসেবে নয়।

পেরোনি ডিজিজ সেবনে কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?

পেরোনি ডিজিজে ৪টি বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন: সক্রিয় পর্যায়ে লিঙ্গে জোরালো চাপ এড়ানো, স্বচিকিৎসায় বিলম্ব না করা, ডায়াবেটিসউচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দেওয়া

সক্রিয় পর্যায়ে লিঙ্গে জোরালো চাপ বা টান এড়ানো প্রথম সতর্কতা। এই পর্যায়ে অতিরিক্ত মালিশ বা যান্ত্রিক চাপ প্লাকের প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে।

স্ব-চিকিৎসায় বিলম্ব না করা দ্বিতীয় সতর্কতা। লক্ষণ প্রথম দেখা দেওয়ার ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করলে ফলাফল উন্নত হয়, কারণ এই সময়ে রোগ এখনও সক্রিয় পর্যায়ে থাকে।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা তৃতীয় সতর্কতা, কারণ অনিয়ন্ত্রিত অবস্থা টিস্যু মেরামত প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়।

মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দেওয়া চতুর্থ সতর্কতা। উদ্বেগ বা বিষণ্নতার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা প্রয়োজন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

পেরোনি ডিজিজ কি নিজে থেকে সেরে যায়?

পেরোনি’স ডিজিজ সাধারণত নিজে থেকে সম্পূর্ণ সারে না। কিছু হালকা ক্ষেত্রে বক্রতা স্থিতিশীল পর্যায়ে স্থির থাকে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া প্লাক অপরিবর্তিত থেকে যায়।

পেরোনি ডিজিজ কোন বয়সে বেশি হয়?

পেরোনি’স ডিজিজ সাধারণত ৪০ থেকে ৭০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, যদিও কম বয়সী পুরুষদের মধ্যেও এই রোগ নির্ণয় হওয়ার নজির আছে।

পেরোনি ডিজিজে বক্রতা কত ডিগ্রি হলে সার্জারি প্রয়োজন হয়?

বক্রতা ৩০ ডিগ্রির বেশি হলে এবং সহবাসে বাধা সৃষ্টি করলে ইউরোলজিস্ট সাধারণত সার্জারির পরামর্শ দেন। এর কম বক্রতায় প্রথমে অ-অস্ত্রোপচার পদ্ধতি বিবেচনা করা হয়।

পেরোনি ডিজিজ কি ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের কারণ হতে পারে?

হ্যাঁ, গুরুতর বক্রতা লিঙ্গের রক্ত প্রবাহে বাধা তৈরি করে এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সৃষ্টি করে। এই কারণে দুইটি অবস্থার মূল্যায়ন একসাথে করা প্রয়োজন।

পেরোনি ডিজিজ নির্ণয়ে কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হয়?

পেরোনি’স ডিজিজ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য ইউরোলজিস্টের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। প্রাথমিক পরামর্শের জন্য সাধারণ চিকিৎসকও রেফারেল দিতে পারেন।

ইউনানী চিকিৎসা কি পেরোনি ডিজিজের প্লাক সম্পূর্ণ দূর করতে পারে?

ইউনানী সহায়ক পদ্ধতি প্রদাহ প্রশমন ও সাধারণ টিস্যু স্বাস্থ্যে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে গঠিত ফাইব্রাস প্লাক সম্পূর্ণ দূর করার জন্য প্রমাণিত পদ্ধতি নয়। মাঝারি থেকে গুরুতর ক্ষেত্রে ইউরোলজিস্টের চিকিৎসা প্রয়োজন।

উপসংহার

পেরোনি’স ডিজিজ লিঙ্গের টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়ায় ফাইব্রাস প্লাক জমে তৈরি হওয়া একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং কোলাজেনেজ ইনজেকশন, ট্র্যাকশন থেরাপি বা প্রয়োজনে সার্জারির মাধ্যমে বক্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। ইউনানী সহায়ক পদ্ধতি প্রদাহ প্রশমনে ভূমিকা রাখে, তবে ইউরোলজিস্টের পরামর্শ ছাড়া চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়। লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে হেকিম সুলতানের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক দিকনির্দেশনা নিন। WhatsApp-এ বার্তা পাঠিয়ে আজই পরামর্শ বুক করুন।

📱 এখনই WhatsApp- হেকিম সুলতানের সাথে যোগাযোগ করুন বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য

তথ্যসূত্র রেফারেন্স (References)

১. American Urological Association — Peyronie’s Disease Guideline. https://www.auanet.org/guidelines-and-quality/guidelines/peyronies-disease-guideline

২. Mayo Clinic — Peyronie’s Disease: Symptoms and Causes. https://www.mayoclinic.org/diseases-conditions/peyronies-disease/symptoms-causes/syc-20353468

৩. Healthline — Peyronie’s Disease: Causes, Symptoms, and Treatment. https://www.healthline.com/health/peyronies-disease

হেকিম সুলতান
লেখক সম্পর্কে

হেকিম সুলতান

BUMS, খুলনা ইউনানি মেডিকেল কলেজ